হবিগঞ্জে নবীগঞ্জে চোরাই মোবাইল উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। এতে পুলিশের ৫ জন আহত হয়েছেন। তবে ঘটনার পর ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার শিবপাশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- নবীগঞ্জ থানার এসআই মেহেদী হাসান, মাইনুল ইসলাম, এএসআই মোশারফ হোসেন, পুলিশ কনস্টেবল শাহ ইমরান ও পল্টন চন্দ্র দাশ। শাহ ইমরানের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আটকদের মধ্যে মামুন মিয়া পৌর এলাকার নোয়াপাড়া গ্রামের প্রয়াত হিরন মিয়ার ছেলে। বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রুমন মিয়া একটি চোরাই মোবাইল ব্যবহার করছেন বলে জানতে পারে পুলিশ। মঙ্গলবার মধ্যরাতে এসআই মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রুমনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় রুমন মোবাইল ফোনটি নিজের দাবি করে পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে রুমন ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশি অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ওসি কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে রুমনের ভাই মামুনসহ তিনজনকে আটক করা হয়।
ওসি কামরুজ্জামান বলেন, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার এমএ এন সাজেদুর রহমান বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক, চোরাই মোবাইল উদ্ধার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। যারা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই করে তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না।